ধুলিয়ান টিভি ওয়েব ডেস্ক:- লকডাউনে একবার সর্বস্বান্ত হওয়ার পর রেশম চাষ করে দ্বিতীয়বার সর্বস্বান্ত হলো মোথাবাড়ি এলাকার বেশ কিছু পরিবার।
বাজার থেকে রেশম গুটি কিনে পরিবারগুলি সর্বস্বান্ত হয়েছে। ক্ষুব্দ রেশম চাষীরা প্রতারক রেশম বিক্রেতার বিরুদ্ধে মোথাবাড়ি থানা ও বিডিও অফিসে অভিযোগ জানিয়েছে । সরকার দিকে তার ক্ষতিপূরণ না পেলে আত্মহত্যার হুমকি দিলো বেশ কিছু রেশম চাষী।
কালিয়াচক 2 নম্বর ব্লকের উত্তর লক্ষ্মীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের আলমটোলা গ্রাম। এই গ্রামে প্রায় দুই শতাধিক পরিবারের বাস।
এই গ্রামের২০/২৫ টি পরিবার রেশম চাষ করে। প্রতিবছরই স্থানীয় বাগমারা রেশম চাষ দপ্তর থেকে সরকারিভাবে রেশমের পলু ডিম সরবরাহ করা হলেও এই বছর লকডাউনে মোথাবাড়ি বাগমারা রেশম চাষ দপ্তর এলাকার কোন রেশন চাষিকে জন্য সরকারিভাবে পলুর ডিম সরবরাহ করা হয় নি।
ফলে কৃষকরা বাজার থেকে ছোট নগদিপুর গ্রামের পরিতোষ মন্ডল এর কাছে দ্বিগুণ দামে পলু ডিম কিনে রেশম চাষ করতে বাধ্য হয়। কিন্তু চাষ করার দীর্ঘদিন পরেও পলু ডিম ফুটে শুককীট না আসায় চাষিদের মাথায় হাত পরে। একজন চাষী স্থানীয় এক ব্যক্তির কাছ থেকে 400 টাকার পোলুর ডিম 800 টাকা দরে কিনে নেয় । একজন পলু চাষি তিন থেকে চার হাজার টাকা পলুর ডিম কিনে। রেশম চাষীদের আশা ছিল এই রেশম চাষ করে তারা 25 থেকে 30 হাজার টাকা পর্যন্ত লাভ করতে পারবে। কিন্তু পলক ডিম ফুটে রেশম কীট না বেরোনোই চরম সমস্যায় পড়েছে মেসেঞ্জারে চাষীরা।
এই ঘটনা আলমপুর গ্রামের সমস্ত রেশম চাষিরা মোথাবাড়ি থানার যায়। বিক্রেতা ছোট মহদীপুর গ্রামের পরিতোষ মণ্ডলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে। থানা সেই অভিযোগ না নিয়ে পলু চাষীদের ব্লক অফিসে পাঠায়। ব্লক অফিসের বিডিওর কাছে গোটা অভিযোগ জানিয়ে ক্ষতিপূরণ দাবি করে। রেশন চাষিরা ক্ষতিপূরণ না পেলে আগামীতে ব্লক অফিসে এসে আত্মহত্যা র হুমকি দেয়।। ফলে মালদার রেশম চাষের চরম সমস্যার মধ্যে পড়ে।